
ইথিওপিয়া প্রথমবারের মতো মারবুর্গ ভাইরাস রোগের প্রাদুর্ভাব নিশ্চিত করেছে। ডব্লিউএইচও জানায় যে ইথিওপিয়ার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা ভাইরাল হেমোরেজিক জ্বরের সন্দেহে কয়েকটি ঘটনা তদন্ত করছিলেন। পরে নিশ্চিত করা হয় যে এটি মারবুর্গ ভাইরাস। এই ভাইরাস ইবোলা পরিবারের ফিলোভিরিডি নামের গ্রুপের সদস্য। বিশেষজ্ঞরা বলেন যে এটি ইবোলার চেয়েও বেশি গুরুতর।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা সিডিসি জানায়, যে মারবুর্গ একটি ‘দুর্লভ কিন্তু মারাত্মক’ হেমোরেজিক জ্বর। এটি অনেক সময় প্রাণঘাতী হয়। ভাইরাসটি প্রথম আসে মিশরের ফলখেকো বাদুড় থেকে। একজন আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তরল বা সেই তরলে দূষিত বস্তু, যেমন জামাকাপড় বা বিছানার চাদর ছুঁলেই এটি ছড়াতে পারে।
ইথিওপিয়ার ওমো অঞ্চলে এই প্রাদুর্ভাব হয়। এলাকা দক্ষিণ সুদানের কাছে হওয়ায় উদ্বেগ বেড়েছে। আফ্রিকা সিডিসি’র মহাপরিচালক জ্যাঁ কাসেয়া বলেন, ‘দক্ষিণ সুদান খুব দূরে নয় এবং তাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা দুর্বল।’ তাই ঝুঁকি বাড়তে পারে। ডব্লিউএইচও প্রধান টেড্রোস বলেন যে জাতিসংঘ সংস্থা ‘ইথিওপিয়াকে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করছে। আমরা আক্রান্তদের চিকিৎসায় সহায়তা করছি এবং
সীমান্ত এলাকায় সম্ভাব্য ছড়ানোর ঝুঁকি কমাতে কাজ করছি।’ সূত্র– আল জাজিরা