
শীর্ষ নেতাদের কেউ মাঠে না থাকায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই বিষয় নিয়ে ব্যাপক হাস্যরস সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই ছবি ও ভিডিও পোস্ট করে এই হরতালের সফলতা নিয়ে বিদ্রূপ করছেন।
তবে, কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনাও ঘটেছে। ২০ জুলাইয়ের হরতালকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ছাত্রলীগ কর্মীরা আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও, বিএনপি নেতাকর্মীরা এই হরতালের প্রতিবাদে বিভিন্ন স্থানে মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে।
আওয়ামী লীগের ফেসবুক পেজ থেকে আজ ২০ জুলাই হরতালের ডাক দিলেও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বেশিরভাগ স্থানে এর কোনো দৃশ্যমান প্রভাব ছিল না। রাস্তাঘাট স্বাভাবিক ছিল এবং গণপরিবহনও চলাচল করেছে। এর আগেগত ১৮ ফেব্রুয়ারি হরতাল ডেকে কোন রকম সাড়া পায়নি পতিত স্বৈরাচার। সেবারও মাঠে দেখা যায়নি দলটির কোনো নেতাকর্মীকে।
৫ই আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর আওয়ামী লীগের কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত নেতৃত্ব অনেকটা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েছে। জনরোষ থেকে বাঁচতে অনেক নেতা পালিয়ে গেছেন বা গ্রেপ্তার হয়েছেন। যারা আত্মগোপনে আছেন তারাও প্রকাশ্যে আসার সাহস পাচ্ছেন না। এমন অবস্থায় কেন্দ্রীয়ভাবে ডাকা কর্মসূচিতে তৃণমূলের সাড়া মিলছে না। এখন তাদের ডাকা হরতাল নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে এক ধরনের অনাগ্রহ বা বিরূপ মনোভাব দেখা যাচ্ছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এই হরতাল নিয়ে মন্তব্য করেছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং হরতালের সময় দুটি গাড়ি পোড়ানোর ঘটনা ঘটলেও আগের হরতালের তুলনায় নাশকতা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে।