ইস্তাম্বুলে তৃতীয় দফায় বৈঠকে বসল পাকিস্তান-আফগানিস্তান

whatsapp sharing button

পাকিস্তান ও আফগান তালেবান সরকার আজ (বৃহস্পতিবার) ইস্তাম্বুলে তৃতীয় দফা আলোচনায় বসেছে, গত মাসের প্রাণঘাতী সীমান্ত সংঘর্ষের পর উত্তেজনা প্রশমনের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে। জিও নিউজ

দ্বিতীয় দফা আলোচনা তুরস্কের ইস্তাম্বুলে শুরু হয়েছিল। তবে পাকিস্তান তালেবান প্রতিনিধিদলের ‘অযৌক্তিক’ যুক্তি ও ইসলামাবাদের সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদের উদ্বেগ সমাধানে অনীহার কারণে আলোচনাটি ভেস্তে যায়। পরে মধ্যস্থতাকারীদের প্রচেষ্টায় পাকিস্তানকে আলোচনায় ফের রাজি করানো হয়, যা শেষ পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার এক চুক্তিতে পরিণত হয়।

পূর্ববর্তী আলোচনার শেষে তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, সব পক্ষ যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং শান্তি নিশ্চিতের জন্য একটি পর্যবেক্ষণ ও যাচাই প্রক্রিয়া গঠনে একমত হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সব পক্ষ এমন একটি পর্যবেক্ষণ ও যাচাই প্রক্রিয়া গঠনে একমত হয়েছে, যা শান্তি বজায় রাখবে এবং লঙ্ঘনকারী পক্ষের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে।’

তিনি বলেন, ‘আফগানিস্তানকে আঞ্চলিক শান্তির স্বার্থে বিচক্ষণতা দেখাতে হবে… যদি অগ্রগতির কোনো সম্ভাবনা না থাকে, তবে এ আলোচনাকে সময়ের অপচয় বলা যায়। লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ বলেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যেকোনো বাহ্যিক আগ্রাসনের জবাব ‘দৃঢ় ও কঠোরভাবে’ দেওয়া হবে।

তিনি জানান, পাকিস্তানি বাহিনী সীমান্তপারের বহু সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে, যাদের অনেকেই আফগান নাগরিক। তিনি আরও বলেন, আফগানিস্তানে ব্যাপক আফিম চাষ থেকে সংগৃহীত অর্থ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার হচ্ছে।

বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করা হয়, আফগানিস্তানের কিছু গোষ্ঠী বেলুচিস্তান থেকে আসা সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয় দিচ্ছে এবং বেসামরিক এলাকায় যোদ্ধাদের স্থানান্তর করছে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহারের জন্য।

ব্রিফিংয়ে অংশ নেওয়া জিও নিউজের সিনিয়র সাংবাদিক হামিদ মির জানান, প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের কাছে প্রমাণ উপস্থাপন করেছেন যে আফগান তালেবান সেনারা পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলায় জড়িত।