দেশের দিক-নির্দেশনায় জ্ঞানী–গুণীজনদের ভূমিকাই প্রধান: প্রধানমন্ত্রী

whatsapp sharing button

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব রাজনীতিবিদদের হাতে থাকলেও দেশের সামগ্রিক দিক-নির্দেশনা নির্ধারণে জ্ঞানী–গুণীজনদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে একুশে পদক ২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশের সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা অর্জনের জন্য জ্ঞানী–গুণীজনদের পরামর্শ ও অংশগ্রহণ মূল চালিকা শক্তি। তাদের অভিজ্ঞতা ও বিশ্লেষণ আমাদের নীতি নির্ধারণে পথ দেখায়। রাজনীতিবিদরা রাষ্ট্র চালান, কিন্তু সমাজের প্রকৃত দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করেন দেশের জ্ঞানী-গুণীজনরাই।”


তিনি আরও বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, প্রযুক্তি এবং অর্থনীতিসহ বিভিন্ন খাতে উন্নয়নমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিশেষজ্ঞদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নের সময় জ্ঞানী–গুণীজনদের সঙ্গে পরামর্শ করে নীতি ও কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করে। “এ ধরনের সংলাপ আমাদের নীতিমালা কার্যকর ও সময়োপযোগী রাখতে সহায়তা করে। ফলে দেশের অগ্রগতি এবং জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত হয়,” যোগ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা কৃতী ব্যক্তিদের হাতে একুশে পদক তুলে দেন। তিনি বলেন, এই গুণী সন্তানরা আত্মবিশ্বাসের অনুপ্রেরণায় নিজেরা বলিয়ান হয়েছেন এবং জাতির প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা অনেক বেড়ে গেছে। “এতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে,” মন্তব্য করেন তিনি।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য সরকারের উন্নয়নমূলক ও অংশগ্রহণমূলক নীতির পুনর্ব্যক্তি। জ্ঞানী–গুণীজনদের মতামত গ্রহণ কেবল নীতি প্রণয়নের জন্য নয়, দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বক্তব্য নতুন সরকারের বিশেষজ্ঞ-নির্ভর শাসনব্যবস্থার দিকনির্দেশনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী দেশের দক্ষ ও অভিজ্ঞ নাগরিকদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশ গড়ার এই যাত্রায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।