জুলাই যোদ্ধাদের জন্য মিরপুরে ১৫৬০টি ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্প একনেক সভায় অনুমোদন

whatsapp sharing button

মিরপুরে আহত জুলাই যোদ্ধাদের ১৫৬০টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হচ্ছে। এ জন্য ১ হাজার ৩৪৪ কোটি টাকার প্রকল্প নেয়া হয়েছে। সোমবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ–সংক্রান্ত প্রকল্প পাস করা হয়। প্রকল্পের শিরোনাম ঢাকার মিরপুর ১ নম্বর সেকশনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন-২০২৪-এ কর্মক্ষমতা হারানো জুলাই যোদ্ধা পরিবারের স্থায়ী বাসস্থান প্রদানের জন্য ১৫৬০টি আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ।

প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে এ বছরের জুলাই মাস থেকে ২০২৯ সালের জুন মাস পর্যন্ত। জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

এ ছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন-২৪-এ শহীদ পরিবারের স্থায়ী বাসস্থান প্রদানের জন্য আলাদা প্রকল্প নেয়া হয়েছে। জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের নিজস্ব জমিতে ‘৩৬ জুলাই’ আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। এতে খরচ হবে ৭৬১ কোটি টাকা। ২০২৮ সালে প্রকল্পটি শেষ হবে। এ প্রকল্পটিও পাস হয়। একনেক সভায় সব মিলিয়ে ১৭টি প্রকল্প পাস হয়েছে। এতে খরচ হবে ১৫ হাজার ৩৮৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৯ হাজার ৪৫১ কোটি টাকা, প্রকল্প ঋণ ৫ হাজার ৬১০ কোটি টাকা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৩৭৯ কোটি টাকা।
প্রধান উপদেষ্টা ও একনেক চেয়ারপারসন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে নতুন প্রকল্প ১৩টি এবং সংশোধিত প্রকল্প ৫টি।

একনেক সভা শেষে প্রকল্পগুলো নিয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।

তিনি বলেন, আমরা ধারণা, অন্তর্বর্তী সরকার অনেক বেশি সংস্কার করে ফেলেছে। অনেক উচ্চবিলাসী সংস্কার করেছে। নির্বাচিত সরকারের পক্ষে এত সংস্কার হজম করা একটু কঠিন হতে পারে। বেশির ভাগ সংস্কার কিংবা সংস্কারের নির্যাস গ্রহণ করবে বলে আশা করি।

ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, ‘আমরা অনেক অধ্যাদেশ রেখে যাচ্ছি। যেমন বিচার বিভাগকে স্বাধীন করার একটা অধ্যাদেশ হলো। বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ স্বাধীন করার মানে হলো, আইন মন্ত্রণালয়ের হাতে অনেক কিছু থাকছে না। বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়ে গেছে। এগুলো অনেক বড় বড় সংস্কার হচ্ছে।

ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, প্রকল্প পরিচালকদের সমস্যা রয়েই গেছে। মুশকিল হলো যে এখন কেউ প্রকল্প পরিচালক হতে চাচ্ছেন না। আর ঠিকাদারেরাও এখন বেশি উৎসাহী হচ্ছে না। তিনি বলেন, যত দূর শুনেছি, দুর্নীতি খুব কমেনি বা চাঁদাবাজি…এসবও শুনি।’