গত কয়েক বছরের মধ্যে ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের সামনে সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ানো দেশব্যাপী বিক্ষোভের রেশ কাটিয়ে রাজধানী তেহরানে জনজীবন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানে পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক নয়। শহরটিতে বর্তমানে এক ধরনের ‘অলিখিত সান্ধ্য আইন’ বিরাজ করছে। সন্ধ্যার অন্ধকার নামার আগেই দোকানপাট ও ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হতে শুরু করে। তবে গত বৃহস্পতিবার থেকে রাজপথে যে বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি ছিল, তাদেরকে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে।
তেহরানের অন্যতম প্রধান সড়ক ‘ভ্যালিয়াসর স্ট্রিট’-এ গত মঙ্গলবার থেকে স্বাভাবিক দিনের মতোই যান চলাচল শুরু হয়েছে। সাধারণ মানুষকে আগের চেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে দেখা গেছে। শনিবার থেকে বন্ধ থাকা দোকানপাট ও ব্যাংকগুলো মঙ্গলবার থেকে পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে।
বিক্ষোভের সময় সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকগুলো বিক্ষোভকারীদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু ছিল। মঙ্গলবার ব্যাংকগুলো খুললেও গ্রাহকদের উপস্থিতি ছিল খুবই কম। বিক্ষোভের সময় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া বেশ কিছু ব্যাংক শাখায় মেরামতের কাজ চলতে দেখা গেছে, তবে সীমিত পরিসরে লেনদেন শুরু হয়েছে।