আবারও ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তি সাতক্ষীরা

whatsapp sharing button

খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ২টার দিকে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়।

মাই আর্থকোয়েক অ্যালার্টের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে এই ভূমিকম্প আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৪। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরার আশাশুনি।

সাতক্ষীরা থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক জানান, ভূমিকম্পের সময় শহরের পাকা ভবনগুলো প্রচণ্ডভাবে কেঁপে ওঠে। ঘরের আসবাবপত্র, সিলিং ফ্যানসহ অন্যান্য সামগ্রী দুলতে থাকে। আকস্মিক এই কম্পনে আতঙ্কিত হয়ে অনেকে ঘরবাড়ি ছেড়ে দ্রুত বাইরে বের হয়ে আসেন।তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোথাও কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

সাতক্ষীরা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী রিপন বলেন, সাতক্ষীরায় ৫ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরা জেলা ও এর আশপাশের এলাকা।

ভূমিকম্পে খুলনার মানুষ শক্ত ঝাঁকুনি অনুভব করেছে। জুম্মার নামাজ চলাকালীন সময়ে ঝাঁকুনি অনুভব করায় অনেকে আতঙ্কিত হয়ে মসজিদ থেকে বেরিয়ে যান।

এ ছাড়া কুষ্টিয়া, পিরোজপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও বগুড়া থেকেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ২৬ দিনে দেশে অন্তত আটবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আজকের আগে বুধবার রাতে মিয়ানমারে সৃষ্ট ৫.১ মাত্রার একটি মাঝারি ভূমিকম্পে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা কেঁপে ওঠে।

১ ফেব্রুয়ারি সিলেটে ৩ মাত্রার মৃদু কম্পন দিয়ে শুরু হয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি একই দিনে তিনবার ভূকম্পন অনুভূত হয়। এর মধ্যে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৪.১ মাত্রা এবং মিয়ানমারে ৫.৯ ও ৫.২ মাত্রার দুটি কম্পন ছিল। এরপর ৯ ও ১০ ফেব্রুয়ারি সিলেটে আরও দুবার এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের ছাতকে ৪.১ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সব মিলিয়ে ২৬ দিনে আটবার কেঁপেছে দেশ।