শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর ‘অনুরোধ’ পর্যালোচনা করছে বলে জানিয়েছে ভারত

whatsapp sharing button

মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে বাংলাদেশের করা ‘অনুরোধ’ পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ভারত। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তীব্র গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান তিনি। তারপর থেকে দেশটিতেই অবস্থান করছেন বাংলাদেশের আদালতে সর্বোচ্চ শাস্তিপ্রাপ্ত হাসিনা।

গত ১৭ নভেম্বর শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে আন্তর্জাতিকি অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এরপর প্রত্যার্পণ চুক্তির আওতায় তাকে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারত সরকারের কাছে চিঠি দেয় ঢাকা।

এ বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নিয়ে আজ বুধবার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স। আন্তর্জাতিক এ গণমাধ্যমটিকে নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, তারা বাংলাদেশের ‘অনুরোধ’টি বর্তমানে পর্যালোচনা করছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বুধবার (২৬ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ওই মুখপাত্র বলেন, বিষয়টি ভারতের চলমান বিচারিক এবং আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে যাচাই করা হচ্ছে। এর আগে গত ২১ নভেম্বর, বাংলাদেশ সরকার ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠিয়ে শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত আনার অনুরোধ জানিয়েছিল।বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন রোববার (২৩ নভেম্বর) গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এদিকে, ভারতের পক্ষ থেকে যখন বিবৃতি দেওয়া হয়েছে তখন বুধবার পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন জানিয়েছেন, এখনও চিঠির জবাব পাওয়া যায়নি, তারা দিল্লির জবাবের অপেক্ষায় আছেন।

পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে শেখ হাসিনা এবং কামাল ভারতেই অবস্থান করছেন, এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশের সরকারি সূত্র। পরবর্তী সময়ে, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ভারত সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফেরত পাঠানোর জন্য একটি চিঠি পাঠানো হয়, যা সরকারের আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পুনরায় পাঠানো হয়।