লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরও ১৭৩ বাংলাদেশি

whatsapp sharing button

সোমবার (১ ডিসেম্বর) সকালে তারা বুরাক এয়ারলাইন্সের ইউজেড ২২২ ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, লি‌বিয়া থে‌কে আজ সকালে ১৭৩ বাংলাদেশিকে নাগ‌রিক দেশে ফিরেছেন।

ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে ১৭৩ বাংলাদেশি নাগরিককে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর সহায়তায় রোববার (৩০ নভেম্বর) দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়।

জানা গেছে, লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মুহাম্মদ খায়রুল বাশারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল গত ২৬ নভেম্বর ত্রিপলির তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার পরিদর্শন করেন। এ সময় দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রদূত পরিদর্শনের সময় ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের সার্বিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।

লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাদের দেশে আনা হয়। সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। ওইদিন ভোরে বুরাক এয়ারের চার্টার্ড ফ্লাইটে তারা ঢাকা পৌঁছান। প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের অধিকাংশই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় গিয়েছিলেন। মানব পাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় তারা সেখানে প্রবেশ করেছিলেন। পরে অনেকেই অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে তাদের স্বাগত জানান। একইসঙ্গে, প্রত্যাবাসিতদের অভিজ্ঞতা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিনিময় করার জন্য অনুরোধ করা হয়। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা প্রত্যাবাসিতদের জন্য পথ-খরচা, খাদ্যসামগ্রী ও প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করেছে। লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফেরাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

রাষ্ট্রদূত তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং সাগর থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের উদ্ধারসহ মানবিক সহায়তা দেওয়ার জন্য তাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।