সমঝোতার চাঁদাবাজি নিয়ে মন্ত্রীর মন্তব্য, টিআইবি’র ক্ষোভ, বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি

whatsapp sharing button

পরিবহন খাতে ‘সমঝোতার ভিত্তিতে’ টাকা আদায়কে চাঁদাবাজি বলতে নারাজ সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তবে মন্ত্রীর এমন অদ্ভুত যুক্তির কঠোর সমালোচনা করে একে দুর্নীতিবিরোধী অঙ্গীকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে অভিহিত করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি অবিলম্বে এই বক্তব্য প্রত্যাহার ও মন্ত্রীর জবাবদিহি দাবি করেছে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে সেতুমন্ত্রী দাবি করেন, মালিক ও শ্রমিক সমিতিগুলো নিজেদের কল্যাণে অলিখিত বিধির মতো টাকা তুলে থাকে। যদি কেউ দিতে বাধ্য না হয় এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ায় টাকা দেওয়া হয়, তবে তাকে চাঁদাবাজি বলা যাবে না। মন্ত্রী আরও স্বীকার করেন, এসব ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীনের প্রভাব ও আধিপত্য কাজ করে।

মন্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “মন্ত্রীর এই ব্যাখ্যা সরকার ও তার নিজের দেওয়া দুর্নীতিবিরোধী প্রতিশ্রুতির পরিপন্থী। এটি শাসক দলের নির্বাচনী ইশতেহার এবং খোদ সরকারপ্রধানের ভাষণেরও অবমাননা।”

টিআইবি প্রধান আরও উল্লেখ করেন যে, মন্ত্রী যেভাবেই সাফাই গান না কেন, এই ‘যোগসাজশমূলক দুর্নীতির’ বোঝা শেষ পর্যন্ত জনগণের ওপরই চাপে। সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান যেন কেবল ‘আইওয়াশ’ হিসেবে গণ্য না হয়, সেজন্য এই বক্তব্য প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান তিনি।