এবার সারাদেশে ৩৩ হাজার ৩৫৫টি মন্ডুপ ও মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৩১ হাজার ৪৬১টি। এবার এক হাজার ৮৯৪টি ম-প-মন্দির বেড়েছে। শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ও মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির আয়োজনে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানানো হয়।
পূজা উপলক্ষে ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও ধর্ম উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক হয়েছে বলে সভায় জানিয়ে জয়ন্ত কুমার দেব বলেন, পূজা আয়োজকদের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা তারা সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে জানিয়েছেন। উপদেষ্টারা পূজা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার আশ্বাস দিয়েছেন এবং প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলায় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছেন।
এ সময় পূজার প্রতিটি ম-পে দুটি দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো- সংখ্যালঘু নেতৃত্ব ও নিরপরাধ মানুষের বিরুদ্ধে অসত্য, হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং সংখ্যালঘু শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জোরপূর্বক পদচ্যুতি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা।সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, দেশের পূজাম-পগুলোর জন্য ২২ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়। এগুলোর মধ্যে আছে পূজার আয়োজন-উদ্যাপনে স্থানীয় প্রশাসন, সব রাজনৈতিক দল, সেনাবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ছাত্রনেতাদের সম্পৃক্ত করা। ২ অক্টোবর যথানিয়মে সন্ধ্যার মধ্যে প্রতিমা বিসর্জন করা। দুর্গম এলাকায় পূজার আয়োজন স্থানীয় সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে আয়োজকেরা স্থির করবেন। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর ও উপদেষ্টা আইনজীবী সুব্রত চৌধুরীও বক্তব্য দেন।