ভারতের রাজধানী দিল্লিতে গাড়িতে বিস্ফোরণের ঠিক চারদিন পর জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগর থানার ভেতরে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। কাশ্মীর পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী বলছে, ঘটনাগুলোর মধ্যে রয়েছে গভীরভাবে রাজনৈতিক কূটনীতি।
গত সোমবার দিল্লির লালকেল্লার কাছে এক গাড়ি বিস্ফোরণ ঘটে, যা (সরকারি ব্যাখ্যা অনুযায়ী) “আন্তর্জাতিক ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসী মডিউল”–এর সঙ্গে যুক্ত। তদন্তকারীরা ইতিমধ্যেই জইশ-ই-মহম্মদের সম্ভাব্য রূপ ও ফান্ডিং চক্র খতিয়ে দেখছেন।
সাম্প্রতিক বিহার নির্বাচন জয়ের পর মোদিদের জন্য ‘চমক’হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে বিহারের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের জন্যই মোদি সরকারের সাজানো নাটক নয়তো!
বিশ্লেষকরা বলেন, এই বিস্ফোরণ কেবল ঘটনা নয়, এটি একটি কৌশলগত পরিকল্পনা, যা কেন্দ্রীয় সরকারের নিরাপত্তা নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে নিয়ে যেতে পারে। তাদের যুক্তি: বিহার ভোটের মুহূর্তে এই অ্যাটাক বেশ সময়োপযোগী। বিশেষ করে যাদের অভিযোগ, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা শক্তিশালী করার জন্য রাজনৈতিক আড্ডা ও নিরাপত্তার প্রলেপ লাগানোর প্রয়াস চলছে।
‘কাশ্মীরের প্রেক্ষাপট আরও মর্মস্পর্শী। সেখানে গ্রেপ্তার, অস্ত্র বাজেয়াপ্তি এবং অনুসন্ধান অভিযান জোরদার।’
গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, সাধারণ মুসলিম বা কাশ্মীরি সম্প্রদায়কে ‘সন্ত্রাসের মুখ’ হিসেবে চিত্রায়ণ করা হচ্ছে, যা সাম্প্রদায়িক বিভাজন বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে, রাজনৈতিক অপচ পর্যবেক্ষকরা যুক্তি দিচ্ছেন যে, এই ঘটনা কেন্দ্রীয় সরকারের নিরাপত্তাবাদী কাহিনী শক্তিশালী করার একটি নতুন অধ্যায়।
মোদি প্রশাসন বলেন, অভিযুক্তদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রীরা অভিযুক্তদের আইনের মুখোমুখি করার অঙ্গীকার করেছেন এবং অব্যাহত তদন্ত চলছে।